ত্বকের যত্নে ঘরোয়া রূপচর্চার ১০ টি উপায়।

ত্বকের যত্নে ঘরোয়া রূপচর্চার ১০ টি উপায়।

সবাই সুন্দর ও প্রাণবন্ত ত্বক পেতে চায়। কেউ নিস্তেজ ও প্রাণহীন ত্বক প্রত্যাশা করে না। তাই সুন্দর ও দুত্যিময়  ত্বক পেতে চলুন জেনে নেই ১০টি টিপস।

.কাঁচা দুধ

কাঁচা দুধ ত্বকের জন্য খুবই উপকারী তা সকলেরই জানার কথা। এটি ত্বকের রুক্ষতা, শুষ্কতা দূর করে ত্বককে মশ্চারাইজ করে ত্বকের লোমকূপ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে থাকে এবং ত্বকের মৃতকোষ দূর করে। ত্বকের ডিসকালারেশন দূর করে ও ত্বকের বিভিন্ন ধরণের কালচে দাগ কমিয়ে ত্বক ফর্সা এবং গ্লোয়িং করে তোলে।কারণ কাঁচা দুধে রয়েছে ‘ভিটামিন এ’, ‘ভিটামিন ডি’, ‘ভিটামিন বি৬’, ‘ভিটামিন বি১২’ , বায়োটিন, প্রোটিন, ল্যাকটিক এসিড, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম। ফর্সা ও গ্লোয়িং ত্বকের জন্য কোন প্রকার ক্যামিকাল ছাড়া কাঁচা দুধের ফেসিয়াল ব্যবহার করতে পারেন। এই মিল্ক ফেসিয়াল তৈরি করতে কাঁচা দুধের সঙ্গে যে সকল উপকরণ লাগবে তার সবগুলোই ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। বাসায় ফিরে ফেস ওয়াস দিয়ে মুখ ধোয়ার পর একটি তুলোর বল দুধে ভিজিয়ে মুখে বুলিয়ে নিন প্রতিদিন। এক সপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও অন্যান্য সমস্যা দূর হতে দেখতে পাবেন।

. মসুর ডালের ফেসপ্যাক

মসুর ডাল গুঁড়ার সঙ্গে হলুদ, গোলাপজল ও পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে তৈরি করুন পেস্ট। মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখুন এটি। আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন পরেই ত্বকের পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন।

 






ত্বকের যত্নে মসুরের ডালের ব্যবহার

. বেসন ও লেবুর রস

রূপচর্চার জন্য বেসন ও লেবু শ্রেষ্ঠতম উপাদান। লেবুর কার্যকরী ও অ্যান্টি টক্সিন গুণাবলী ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করে, ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল করে।  ২ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ শুকনো কমলার খোসার গুঁড়ো এবং আধা চা চামচ দুধ মিশিয়ে মুখে এবং ঘাড়ে লাগিয়ে রাখতে হবে। লাগানোর সময় মুখে হালকা ভাবে সারকুলার মোশনে ম্যাসাজ করে। ১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্যাকটি ত্বকের জন্য অনেক উপকারি।

ত্বকের যত্নে লেবু ও বেসন

 

. টমেটোর পেস্ট

একটি সুশ্রী এবং ত্রুটিহীন ত্বকের অধিকারী হতে টমেটো রসের সাথে চন্দনের গুঁড়ো ও গোলাপ জল মিশিয়ে প্রয়োগ করুন। এটা ক্লান্ত ত্বক কে সতেজ করে আপনাকে আরো উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করবে।

ত্বকের যত্নে টমেটো

 

 

. অ্যালোভেরা

২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল, কয়েক টুকরো শসা এবং কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল, শসা এবং অ্যালোভেরা জেল পেস্ট করে নিন। এরসাথে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। এই প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ২৫-৩০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে।

ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা

 

.মধু ও বেকিং সোডার মিশ্রণ

মধু ত্বকের ব্যাকটেরিয়া ও লোমকূপের ভাঁজ দূর করে ত্বকেকে করে তুলে প্রাণবন্ত, সতেজ এবং ত্বকের ইলাস্টিসিটি বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে বেকিং সোডা হচ্ছে প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েট এজেন্ট যা ত্বকের প্রদাহ দূর করে এবং রক্তের সঞ্চালন বাড়ায়।

১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা,আধা চামচ মধু,১ চা চামচ অলিভ অয়েল

একটি পাত্রে সবগুলো উপাদান নিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে যতক্ষণ না ভালো একটি পেস্ট পাওয়া যায়। মুখ ভালো করে ধুয়ে মাস্কটি লাগাতে হবে এবং ১০ মিনিট রাখতে হবে। তারপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। উজ্জ্বল, মসৃণ এবং সুন্দর ত্বক পেতে সপ্তাহে ২ ব্যবহার করুন।

ত্বকের যত্নে মধু ও বেকিং সোডা

 

.কলা ও দুধের মিশ্রণ

ত্বকের রুক্ষতা দূর করার পাশাপাশি নরম ও কোমল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন পাকা কলার ফেসপ্যাক। কলাতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ডি। একটি পাকা কলা চটকে ২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ মেশান। ১ টেবিল চামচ আনসল্টেড বাটার ও মুঠোভর্তি গোলাপের পাপড়ি একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। সব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ত্বক টানটান হয়ে গেলে ফেস ওয়াস দিয়ে ধুয়ে নিন।

ত্বকের যত্নে কলা ও দুধ

 

. বেসন ও হ্লুদ গুড়োর ফেসপ্যাক

এটা হল স্কিন হোয়াইটনিং ফেসপ্যাক।স্কিনের ব্ল্যাকহেডস বা কোনোরকম ব্ল্যাকস্পট যদি থাকে,সেটা দূর করে স্কিনকে করে তুলবে উজ্জল।  ২চামচ হলুদের সঙ্গে ২চামচ বেসন ভালো করে মিশিয়ে নিন।কাঁচা দুধ দিতে পারেন স্মুথ পেস্ট বানানোর জন্য। এবার এই পেস্টটা মুখে,গলায় লাগান।এবার ২০ মিনিট রেখে দিন।এরপর হাতে একটু জল নিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন।তারপর ফেস ওয়াস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে একবার করুন।

ত্বকের যত্নে হলুদ

 

 

. চন্দনের মিশ্রণ

চন্দন, দই, মধু  উপাদানগুলোতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। ত্বকের নানা সমস্যা দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত করতে এই ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।

এই প্যাকটি আপনার ত্বকে দীপ্তিময় আভা এনে দিবে এবং ত্বককে করবে মসৃণ ও সতেজ। এই প্যাক তৈরির জন্য যেসব উপকরণ লাগবে তা হলো

 

এক টেবিল চামচ চন্দন।

এক চা চামচ টক দই।

১/২ চা চামচ মধু।

যেভাবে প্রস্তুত করবেন

চন্দনের গুঁড়ার সাথে দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর এর সাথে টক দই ও মধু মিশিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। ফেসপ্যাক তৈরি হয়ে গেলে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে মাখুন। তারপর এক ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এই প্যাকটি এক ঘন্টা রাখলে ভালো ফলাফল পাবেন। এক ঘন্টা পর ফেস ওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। রোজ এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে আপনি ভালো ফলাফল পাবেন।

ত্বকের যত্নে চন্দন

 

১০. গোলাপ জলের ফেসপ্যাক

আধা কাপ গোলাপ জল, একটা লেবুর রস, ক-ফোঁটা মধু একত্রে মিশিয়ে নিলে স্কিন-ফ্রেশনার টনিক হয়ে গেল। এ টনিক দিনে দুবার তুলোয় করে মুখে লাগাতে পারেন। যাদের মুখের চামড়া খসখসে তারা রাতে মুখ ভালো ভাবে ধুয়ে সমপরিমাণ গোলাপ জলের সাথে গ্লিসারিন মুখে, হাতে এবং পায়ে মেখে নিতে পারেন। ভোরে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলবেন। এতে মুখের খসখসে ভাব থাকবে না এবং ত্বক কোমল হবে।


ত্বকের জরনে গোলাপ জল

আপনারা চাইলে আপনাদের পছন্দের স্কিন কেয়ার আইটেম আমাদের কারনেসিয়া অনলাইন সপ থেকে খুব সহজে পেয়ে যেতে পারেন। যা এই ঘরোয়া উপায় গুলোর সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে ফলাফল আরও ভালো পাবেন।

শুষ্ক ত্বকের বা ড্রাই স্কিনের যত্ন কিভাবে করবেন। How to care dry skin.

শুষ্ক ত্বকের বা ড্রাই স্কিনের যত্ন কিভাবে করবেন। How to care dry skin.

শুষ্ক ত্বকের যেমন উপকারিতা আছে তেমন অপকারিতাও আছে। আপনার যদি শুষ্ক ত্বক হয় তাহলে বলবো আপনার ব্রণ একনি নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। কিন্তু আপনার শুষ্ক ত্বকেরই পরিচর্যা বেশী করতে হবে কারণ শুষ্ক ত্বক মানেই মৃত কোষ দেখা যাওয়ার দুঃচিন্তা, ফ্ল-লেস মেকাপ না পাওয়ার দুঃচিন্তা,স্কিনের গ্লো কমে যাওয়ার দুঃচিন্তা তো আছেই।

তবে অল্প একটু নিয়ম মেনে পরিচর্যা করলেই আপনি সুন্দর ত্বকের অধিকারী হবেন।

 

কেন ত্বক শুষ্ক হয়?

বংশগত বা জিনগত কারণে অনেকের ত্বকে তেলগ্রন্থিগুলো প্রয়োজনের তুলনায় কম থাকে। এর ফলে পর্যাপ্ত তেল নিঃসৃত হয় না। তাই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

*   বয়স ৪০-এর পর তেল ও ঘর্মগ্রন্থির সংখ্যা কমে যায়। তাই পর্যাপ্ত গ্রন্থি না থাকার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। ছোটদের তেলগ্রন্থিগুলো সঠিকভাবে গঠিত থাকে না, ফলে তাদের ত্বকও শুষ্ক হতে পারে।যাদের ত্বকের গঠন পাতলা, তাদের ত্বক শুষ্ক হয়।

*  ক্লোরিনযুক্ত পানিতে অতিরিক্ত সাঁতার কাটলে বা গোসল করলে বিশেষ করে গরম পানি বা ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হয়।

*  অতিরিক্ত আকাশপথে ভ্রমণ, ভিটামিন এ ও বি এবং জিঙ্ক ও ফ্যাটি অ্যাসিডের অভাব হলেও ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

*   পানিশূন্যতা হলে যেমন-ডায়রিয়া, উচ্চ মাত্রার জ্বর, অতিরিক্ত ঘামা এবং প্রতিদিন প্রয়োজনীয় পানি পান না করা হলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

*   কিছু চর্ম রোগের কারণে যেমন একজিমা, ডার্মাটাইটিস, সোরিয়াছিসে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

*   কিছু ওষুধ সেবন, এয়ার কন্ডিশনে অতিরিক্ত অবস্থান, থাইরয়েডের সমস্যা, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত পারফিউম ব্যবহার ইত্যাদিও ত্বক শুষ্ক করে।

 






 

প্রতিদিন সকালে করণীয়

সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে যে কাজটা করবেন তা হলো, ঠান্ডা পানির ঝাপটা  দিয়ে আপনার মুখ কয়েকবার ধুয়ে নিন। এতে আপনার মুখের ত্বক খুব দ্রুত রিফ্রেশড হয়ে উঠবে।

শুষ্ক ত্বকের যত্ন

 

তারপর একটি ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার দিয়ে আপনার মুখ আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন। কেমিক্যাল জাতীয় ফেইস ওয়াশ ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক ফেইস ওয়াশ ব্যবহার করার ট্রাই করবেন কারণ প্রাকৃতিক উপাদানগুলোই ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালো।

এবার আপনার মুখ আলতোভাবে মুছে নিয়ে একটি ভালো টোনার লাগিয়ে নিন।  এক্ষেত্রে আপনি গোলাপজল ইউজ করতে পারেন কারণ এটি খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে।

এখন ময়েশ্চারাইজিং-এর পালা। আপনার ত্বকে ভালো কোন ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লাগিয়ে নিন। যতক্ষণ পর্যন্ত এটি ত্বকের সাথে ভালোভাবে মিশে না যায় ততক্ষণ আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে থাকুন কারণ ময়েশ্চারাইজিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এবার সানস্ক্রিনের  সময়। আপনি যদি বাড়ির বাইরে যান তবে বাসা থেকে বের হওয়ার  ১৫-২০ মিনিট আগে একটি ভালোমানের সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। এসপিএফ ৩০ আছে কি না লক্ষ্য রাখবেন। বাইরে গেলে  প্রতি কয়েক ঘন্টা পরপর পুনরায় সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন।

 

sun scream for dry skin

 

আপনি যদি মেকআপ ব্যবহার করতে চান তবে লাইট মেকআপ আপনার জন্য বেস্ট হবে। সেক্ষেত্রে আপনি ময়েশ্চারাইজার, বিবি ক্রিম এবং কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখবেন মেকআপের ফলে ত্বক যেন অতিরিক্ত শুষ্ক না হয়ে যায়।

 

কীভাবে প্রতিকার করবেন ?

*  ত্বক শুষ্ক হওয়ার প্রকৃত কারণ বের করে তা পরিহার করতে হবে।

*  ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন। ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে মুখের মরা কোষ পরিষ্কার করুন।

 

simple moisturizer for dry skin

 

*  দীর্ঘক্ষণ গোসল করবেন না। গরম পানিতে গোসল করবেন না।

*   ময়েশ্চারাইজারযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন।

*   নরম সুতির আরামদায়ক কাপড় পরার চেষ্টা করবেন।

*   সারা দিনে দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করুন।

*   প্রতিদিন মৌসুমি ফল খাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং শাকসবজি বেশি করে খাবেন।

 

প্রাকৃতিক উপায়ে শুষ্ক ত্বকের যত্ন

*   অলিভ অয়েল গোসলের কয়েক মিনিট আগে সারা শরীরে মেখে গোসল করুন।

*  অলিভ অয়েল ১ চামচ + লবণ ৫ চামচ + ১ চামচ লেবুর রস দিয়ে তৈরি স্ক্রাব মুখে ও সারা শরীরে লাগাতে পারেন। এতে মরা কোষ দূর হবে।

*   শুষ্ক জায়গায় মধু ম্যাসেজ করে ২-৩ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

*   অ্যালোভেরা জেল মধুর সঙ্গে মিশিয়ে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

*  প্রচুর শাকসবজি খান। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। ত্বকের পরিচর্চা করুন।

 

শুষ্ক ত্বকের যত্ন

 

মেকাপ করার পূবে করণীয়

শুষ্ক ত্বকে মেকাপ করার একটু পর দেখা যা বিশেষ কিছু অংশে মেকাপ ক্র্যাক করে, মেকাপ সেট হতে সময় নেয় কিন্তু তাও ফ্ল-লেস মেকাপ লুক পাওয়া যায় না।  একটি কাজ আপনাকে অবশ্যই করতে হবে।

মেকাপ করার ৫-১০মিনিট আগে অবশ্যই মশ্চারাইজার ব্যবহার করুন তবে ফেস অয়েল ব্যবহার করা ভালো যাদের ত্বক অনেক বেশী শুষ্ক তাদের ক্ষেত্র।  কারণ ফেস অয়েল খুব তাড়াতাড়ি ত্বকে শোষন করে  ত্বককে মশ্চার করে। সেক্ষেত্রে অর্গান অয়েল এবং জোজবা অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। আপনার স্কিন গ্লোয়ি করতে সাহায্য করবে।

এরপর পরবর্তী ধাপ মেনে মেকাপ সম্পূর্ণ করুণ।

চুলের যত্নের সম্পর্কে জানতে আমাদের “ঘরে বসেই চুলের যত্ন ও সকল সমস্যার সমাধান” পোষ্ট পরতে পারেন।

এছাড়া আপনারা চাইলে আপনাদের প্রয়োজনীয় তেল এবং অন্যান্য স্কিন কেয়ার আইটেম আমাদের কারনেসিয়ার অনলাইন সপ থেকে পেয়ে যেতে পারেন। যা আপানর শুষ্ক ত্বককে করে তুল্বে আরও প্রানবন্ত।

 

NATURE REPUBLIC ALOE VERA 92% SOOTHING GEL

NATURE REPUBLIC ALOE VERA 92% SOOTHING GEL

NATURE REPUBLIC ALOE VERA 92% SOOTHING GEL ?

❄price : 950

❄ 92% soothing aloe vera gel

❄ Face এ day/night moisturizer হিসাবে use করতে পারেন





❄Full boudy তে use করা যাবে as a moisturizer

❄ যেকোনো hair pack এর সাথে use করতে পারেন ।

❄ Alargie problem থাকলে aloe avoid করবেন

❄ Aloe vera gel skin কে soft, smooth করতে সাহায্য করে

ILANA EUCALYPTUS ESSENTIAL OIL

ILANA EUCALYPTUS ESSENTIAL OIL


ILANA EUCALYPTUS ESSENTIAL OIL
? যেকোনো রকম fungal infection, insects bites এর ক্ষত স্থানে এই oil টি use করা যাবে as a medicine যা প্রতিরোধে সাহায্য করবে।
? শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যাথা হয়ে থাকে আমাদের, ওই সকল স্থানে oil- টি use করলে ব্যাথা কমবে। এক কথায় muscle pain কমাবে। ?? Mouth-Wash হিসেবে use করা যাবে, যা আপনাকে refresh feel দিবে ভেতর থেকে